মামির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলায় নানাকে খুন

মামির সাথে পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার নাতি ও পুত্রবধু। রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে কুষ্টিয়ার খোকসায় উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মজিবুর রহমান (৭০)। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত নাতি নাঈম (২১) ও নিহতের পুত্রবধূ সামিয়াকে (৩৪) আটক করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাঈম সব স্বীকার করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম মেহেদী মাসুদ। তিনি জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই নিহত মজিবুর রহমানের বড় মেয়ের বড় ছেলে নাঈমের সাথে মেজ ছেলের স্ত্রী সামিয়ার মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক চলছিল। রোববার রাতে ঢাকা থেকে এসে নাঈম নানা বাড়ি যায়। মেজ মামা মাসুদের অনুপস্থিতিতে সে তার স্ত্রী সামিয়ার সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়।

এসময় নানা মজিবুর রহমান তাদের অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলে। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাবে এই ভয়ে নাঈম তার নানাকে ঘর থেকে বারান্দায় বের করে এনে বুকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। অন্যরা মজিবুর রহমানকে উদ্ধার করে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই নাঈমের নিজবাড়ি কুমারখালী থেকে তাকে আটক করে, এবং তার স্বীকারোক্তিতে নিহত মজিবুর রহমানের বাড়ি থেকে তার পুত্রবধু সামিয়াকে আটক করে থানায় নেয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানায় ওসি।

ডেগের ভেতর শিশুর মরদেহ!:  গাজীপুরের শ্রীপুরে মনিরা খাতুন (৬) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় দিকে ভাড়া বাড়ির খাটের নিচে একটি পাতিলের (ডেগ) ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরা জেলার কাপাসিয়া উপজেলার হালজোড় গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে। রফিকুল ইসলাম তার স্ত্রী-সন্তানসহ শ্রীপুর পৌর এলাকার গিলারচালা গ্রামের হাজি ইয়াসিন মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনই স্থানীয় ডেনিম্যাক গার্মেন্টসে চাকরি করেন। তাদের মেয়ে মনিরা স্থানীয় মোহাম্মদ আলী কিন্ডার গার্টেনের প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান জানান, সন্ধ্যায় শিশুটির মা নাসরিন আক্তার মুঠোফোনে মনিরার নিখোঁজের বিষয়টি থানায় জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভাড়া বাড়ির ঘরের ভেতর খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে ঘরের খাটের নিচে বড় পাতিলের (ডেগ) ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। জানা যায়, এ ঘটনার পর থেকে শিশুটির বাবা পলাতক রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Student BD © 2017