কোচিং করাতে পারবেন না শিক্ষকরা

সরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষকরা কোচিং বাণিজ্য করতে পারবেন না বলে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালাসহ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া নিয়ে জারি করা রুলের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্ট এ নির্দেশ দেন। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়।

কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সেজন্য কারণ দর্শাতে নোটিশ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ওইসব নোটিশ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ নিয়ে ওই শিক্ষকেরা হাইকোর্ট রিট আবেদন করেন। তখন হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

আরও পরুন: মৃত শিশুকে কোলে নিয়ে থানায় বাবা-মা

বরিশালে ভুল চিকিৎসায় তাদের সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগে ও চিকিৎসকের বিচারের দাবিতে মৃত সন্তান রিয়ান হাওলাদারকে (ছয় মাস বয়সী) কোলে নিয়ে কোতোয়ালি থানায় গেছেন বাবা-মা। এ সময় তারা কান্না ও আর্তনাদে ভেঙে পড়েন এবং অভিযোগ করেন ভুল চিকিৎসায় তাদের সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাবা-মা।

তবে চিকিৎসক এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর হাসপাতাল রোডের বেস্ট ফার্মেসি নামক ওষুধের দোকান কাম চেম্বারে এ ঘটনা ঘটে।এদিকে পুলিশ বলছে, এ বিষয়ে তদন্ত করে নেয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা। মৃত শিশু রিয়ানের বাবা আল আমিন জানান, ছয় মাস বয়সী রিয়ান ২-৩ দিন ধরে ঠাণ্ডা কাশি ও জ্বরে ভুগছিল। বুধবার সকালে তাকে শেবাচিম হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।

ডা. মাহমুদ হাসান খান তাকে সালটোলিন ইনহেলার ব্যবহারের পরামর্শ দেন এবং এটি সদর হাসপাতাল রোডের বেস্ট ফার্মেসি থেকে কিনতে বলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শিশুর বাবা-মা শিশুকে নিয়ে ওই ফার্মেসিতে গিয়ে ইনহেলারটি কেনেন। এ সময় ওষুধের দোকানের সেলসম্যান ইনহেলারটি ব্যবহার করান। শিশুর বাবা-মায়ের অভিযোগ ইনহেলার ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে শিশুর মৃত্যু হয়। তাদের আরও অভিযোগ ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে শিশুটি।

এর পর শিশুটিকে নিয়ে বাবা-মা থানায় যান এবং এ ঘটনার বিচার দাবি করেন। এদিকে শিশুটির চিকিৎসক মাহমুদ হাসান খান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, পরামর্শ সকালে দেয়া হয়েছিল, কিন্তু ইনহেলার ১০ ঘণ্টা পর কিনেছেন তারা। এতে শিশুর অসুস্থতা বাড়তে পারে। ওষুধের দোকানের সেলসম্যান রাজিব জানান, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ীই শিশুটিকে ইনহেলার দেয়া হয়। অন্যদিকে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিশুটির ময়নাতদন্ত হবে। অভিযোগ তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Student BD © 2017